খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে  আহত নেতৃবৃন্দের পাশে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি
অন্যান্য সারাদেশ

খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে আহত নেতৃবৃন্দের পাশে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি

সবার সংবাদ ডেস্ক:

গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ স্থলে যাওয়ার পথে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির গাড়িবহরে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশ কর্তৃক ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানাধীন বারোবাজারে হামলা চালিয়ে শতাধিক নেতাকর্মীকে দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোটা হকিস্টিক ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে এবং হাত পা ভেঙে দেয়। আহত নেতাকর্মী ও সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী,অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন,রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা ও প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার এর সাথে অডিও কলে আহদের খোঁজ খবর নেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) খুলনা বিভাগ, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সোমবার সকাল ১১টায় দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের মধ্যবাহীরমাদি গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য  বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আহত নেতাকর্মীদের দেখতে যান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রুহুল আমিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুঈদ বাবুল, যুব বিষয়ক সম্পাদক মেজবাউর রহমান পিন্টু, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক শহিদ সরকার মঙ্গল, দপ্তর সম্পাদক শের আলী সবুজ, কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের সভাপতি আল আমিন রানা, সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও সদর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আব্দুল মাজেদ, কৃষক দল কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহবায়ক আরিফুর রহমান সুমন, সদস্য সচিব এ্যাড. নুরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ জাকারিয়া উৎপল, শহর যুব দলের সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান জনি, দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক  বেনজির আহমেদ বাচ্চু, সদস্য সচিব রেজাউর রহমান মাসুম, দৌলতপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রাশেদুল হক শামীম, সদস্য সচিব আসাদুল হক, কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন মোকা, বিশিষ্ট বিএনপি নেতা হাবলু মোল্লা, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপি নেতা আসিফ রেজা শিশির মোল্লা, কুমারখালি উপজেলা বিএনপির সদস্য মোঃ জাকির হোসেন, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনুজ্জামান রাসেল, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম রুপল, শহর ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম অনিক, ছাত্রদল নেতা নাঈম শেখ প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন, খুলনার বিভাগীয় মহাসমাবেশকে বাধাগ্রস্থ ও বানচাল করার হীন অপপ্রয়াসের অংশ হিসেবে এই কাপুরুষোচিত ও নেক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে এবং ১৫-২০টি বাস ও মাইক্রোবাস ভাংচুর করা হয়েছে।

এ ছাড়াও গত ৩রা ফেব্রুয়ারি রাতে ভেড়ামারা রেলওয়ে ষ্টেশনে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর পুলিশি হামলারও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।