বিএনপি জনগণের ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করছে-মেহেদী রুমী
সারাদেশ

বিএনপি জনগণের ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করছে-মেহেদী রুমী

সবার সংবাদ ডেস্ক:

সরকারের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, দমন-পীড়ন ও নির্যাতন বন্ধ, বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানোসহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ১১ই ফেব্রæয়ারি ইউনিয়ন পর্যায়ে পথযাত্রা সফল করার লক্ষে চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত বুধবার বিকাল ৩টায় চুয়াডাঙ্গা শহরস্থ রেষ্টুরেন্টের হল রুমে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুনের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ ইসলাম অমিত, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ডু। বক্তব্য রাখেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহীদ সরকার মঙ্গল, সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বশিরুল আলম চাঁদ, খোকসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সর্দ্দার মনিরুজ্জামান কাজল, কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাড. শাতিল মাহমুদ, মিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হকসহ চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়ার উপজেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ বক্তব্য করেন। সভা পরিচালনা করেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরিফুজ্জামান শরিফ।

প্রধান অতিথি বক্তব্য  মেহেদী রুমী বলেন, শান্তি মিটিংয়ের নামে অশান্তি সভা করবেন না, বিএনপি কর্মসূচি দিলে পাল্টা কর্মসূচি দিবেন না, প্রয়োজন হলে আগে কর্মসূচি দিবেন, আমরা আপনাদের দিনে কর্মসূচি দেবো না, যদি শান্তি চান বিএনপির কর্মসূচির দিন কর্মসূচি দিবেন না। অশান্তির জবাব কীভাবে দিতে হয় সেটাই দেখতে পাবেন। বিএনপির পদযাত্রা নিয়ে আওয়ামী লীগ ভীত হয়ে গেছে। বিএনপি চায় গণবিস্ফোরণের আগেই সরকার ভালোয় ভালোয় যেনো ক্ষমতা ছেড়ে দেয়। জনগণ সরকারের জেল ভেঙে বেরিয়ে আসতে চায়, সময় থাকতে জনগণের সাথে আপস করেন। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারে পতন ঘটাতে চায় বিএনপি। বিএনপি আন্দোলন করলেও সরকার ভয় পায়, চুপ থাকলেও ভয় পায়। ক্ষমতায় আসার জন্য নয়, বিএনপি জনগণের ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য অমিত বলেন, সরকার জনগণের মঙ্গল চায় না, সরকার বাংলাদেশের মানুষের মুখ বন্ধ করে দিয়েছে, কাউকে কথা বলতে দিচ্ছে না। জনগণের টাকা জনগণকে দিবেন, কোনো ভর্তুকি চায় না জনগণ। সরকারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে বলে জনগণের টাকার ভর্তুকি নিয়ে কথা বলে। সরকারের সময় শেষ হয়ে আসছে। তাই তারা নিজেদের দুর্নীতির টাকা সম্পদ রক্ষায় পাগল হয়ে গেছে। পালানোর সুযোগ পাবেন না। ভালোয় ভালোয় আপসে ক্ষমতা ছেড়ে দেন, নতুবা আপনাদের করুণ পরিণতি হবে, কেউ রক্ষা করতে পারবে না।