মেহেরপুরে হিজড়া অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দুইজন কারাগারে
আইন-আদালত মেহেরপুর

মেহেরপুরে হিজড়া অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দুইজন কারাগারে

সবার সংবাদ ডেস্ক:

হিজড়া সম্প্রদায়ের পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মেহেরপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর থেকে সন্ধ্যা ও রুবিনা নামের দুই হিজড়াকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রেখা ও সোহাগী নামে দুই হিজড়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

রবিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে রেখা ও সোহাগী আদালতে হাজিরা দিতে আসলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে মেহেরপুর আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তারিক হাসান ওই হিজড়া ২জন কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর হিজড়া সম্প্রদায়ের পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সদর উপজেলা শ্যামপুর থেকে সন্ধ্যা ও রুবিনা নামের দুই হিজড়াকে অপহরণ ও নির্যাতনের পর তাদের চুয়াডাঙ্গা থেকে তাদের অচেতন অবস্থায় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে মেহেরপুর-২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঐ ঘটনাই মেহেরপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়।

লিখিত অভিযোগে জানানো হয় প্রতিদিনের ন্যায় ২৫ ডিসেম্বর সকালের দিকে মেহেরপুর গোহাট পাড়ার বাসিন্দা হিজড়া সুরভী, সন্ধ্যা ও রুবিনা মেহেরপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে নিজেদের কাজে রওনা দেন। সুরভী, সন্ধ্যা ও রুবিনা শ্যামপুর গ্রামের বাচ্চা নাচানোর কাজ শুরু করার পরপরই রেখা,  সোহাগী, শিমরান, সুবর্ণা, লতা, শিপন সহ ১০-১২ জনের অপর একটি হিজড়ার দল তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা সুরভী সন্ধ্যা ও রুবিনাকে মারধর করে সন্ধ্যা ও রুবিনাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে মেহেরপুরের হিজড়াদের গুরু মা সীমা হিজড়ার নেতৃত্বে অন্যান্য হিজড়ারা মেহেরপুর সদর থানায় গিয়ে অভিযোগ দাখিল করেন। ঐদিন বিকেলের দিকে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের অনুরোধে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ চুয়াডাঙ্গার সাত গাড়ি এলাকা থেকে সন্ধ্যা ও রুবিনাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে মেহেরপুরে প্রেরণ করে।