সবার সংবাদ ডেস্ক:
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভোমরদহ গ্রামে স্থাপিত শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিল্ডিং ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি ফাউন্ডেশনের মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি লিটন ইসলাম অভিযোগ করে জানান, ভোমরদহ গ্রামের ছাত্তার বিশ্বাসের ছেলে ছমিরুল ইসলাম ও রবিরুল ইসলাম তাদের জমি বায়না নামা চুক্তিতে ১৭ কাঠা জমি শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি ফাউন্ডোশনের নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়ার শর্তে নগদ ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন।
সেই জমিতে শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়। জমির মালিক ছমিরুল ইসলাম ও রবিরুল ইসলাম যেহেতু দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন। সেজন্য তার বাবা ছাত্তার বিশ্বাস ও ছমিরুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী খাতুন, ছেলে শিমুল হোসেন জমি বিক্রয়ের জন্য নগদ ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন।
সে মোতাবেক ওই জমিতে স্কুল নির্মাণ করা হয়। দেশে ফিরে শহীদ শেখ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের নামে জমি রেজিস্ট্রি করে দিবে শর্তে প্রতিষ্ঠান করতে দিয়েছেন ছবিরুল ও রবিরুল। শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির নিজ অর্থে বিদ্যালয়টি নির্মাণ করা হয়।
শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলকে জনগণের মাঝে তুলে ধরা এবং শহীদ শেখ রাসেলের স্মৃতিকে মানুষের মনে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে শেখ রাসেল প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টিতে প্রায় শত ভাগ কাজ শেষ হয়েছিল। শুধু বাকী ছিলো পিলাস্টার ও রংয়ের কাজ। সম্প্রতি ভোমরদহ গ্রামের কিছু কুচক্রি মহল আমার কাছে চাঁদা চাওয়া, থেকে শুরু করে আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আমার নামে মিথ্যা কথা বলে প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করেছে। আমি এঘটনায় বিচার দাবী করছি।
স্থানীয়রা জানান, জমির মালিকদের কাছে কথা বলে লিটন ইসলাম একটি স্কুল নির্মাণ করেছিলেন। সরকারী ভাবে অনুমোদন না পাওয়াই স্কুলটি বন্ধ রয়েছে। জমির মূল মালিক স্কুল ঘর ভেঙ্গেছে। এব্যাপারে জমির মালিকদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি।







