গাংনীতে ইজিপিপি শ্রমিকের টাকা কর্মকর্তাদের পকেটে
টপ নিউজ মেহেরপুর

গাংনীতে ইজিপিপি শ্রমিকের টাকা কর্মকর্তাদের পকেটে

সবার সংবাদ ডেস্ক:

২০২৩-২৪ অর্থ বছরের অতি দরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান (ইজিপিপি) কাজের অফিস খরচের নাম করে শ্রমিকদের কাছে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি মেম্বার সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, জোড়পুকুরিয়া গ্রামের রায়ের খাল হতে খলিল মাস্টারের গভীর নলকূপ, ভায়া সিদ্দিকের বাড়ি হতে হাফিজ বিশ্বাসের পুকুরের অভিমুখী রাস্তায় সংস্কারের জন্য ৩১ জন পুরুষ ও ১৩ জন মহিলা ৪০ দিন কাজ করে। এ বছরের জানুয়ারি মাসের ২৮ তারিখে শ্রমিকদের নিজস্ব নগদ একাউন্টে ২০দিনের কাজে ৮হাজার টাকা আসে।

নাম প্রকাশ করা যাবে না এমন শর্তে কয়েকজন শ্রমিক জানান, আমরা অনেক কষ্ট করে শ্রম বিক্রি করে টাকা উপার্জন করেছি। আমাদের কাছ থেকে সাহাবুদ্দিন মেম্বার ৫০০ টাকা করে জোরপূর্বক অফিস খরচ বাবদ নিচ্ছে। টাকা না দিলে আগামী বছর নাম কেটে দেয়ার হুমকিও দিচ্ছেন মেম্বার। আমরা অসহায় মানুষ আমাদের ক্ষমতা নেই কাজ চলে গেলে আমরা আগামীতে আর কাজ পাবো না তাই ভয়ে টাকা দিচ্ছি। আমাদের এখানে ৪৪ জন শ্রমিক কাজ করার কথা ছিল কিন্তু আমরা মাত্র ২৫ জন শ্রমিক নিয়ে কাজ করেছি। বাকি শ্রমিক গুলোর টাকা মেম্বার, চেয়ারম্যান, গাংনীর অফিসাররা উঠিয়ে নেন।

ইউপি সদস্য সাহাবুদ্দিন জানান, ভাই আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন এই টাকার ভাগ আমরা একা খাই না। এখান থেকে চেয়ারম্যান,পিআইও স্যারকে দেওয়া লাগে। যদি টাকা না দেই আগামীতে ইজিপিপির কাজ আসলে আমরা আর এই কাজের পিআইসি হতে পারবো না। বাধ্য হয়ে দিতে হচ্ছে।

এবিষয়ে সাহারবাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলে তাকে পাওয়া যায়নি। গাংনী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিরঞ্জন চক্রবর্তী জানান, প্রতিটা শ্রমিকের টাকা তাদের নিজস্ব নগদ একাউন্টে আসে এক্ষেত্রে কারো কোন টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা জানান, যদি কোন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে থাকে, তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।