যারা বিএনপির ঘরে আগুন দিয়েছে তাদের এখন মিছিলে দেখা যায়-মাসুদ অরুণ
টপ নিউজ আইন-আদালত

যারা বিএনপির ঘরে আগুন দিয়েছে তাদের এখন মিছিলে দেখা যায়-মাসুদ অরুণ

সবার সংবাদ প্রতিবেদক:

মেহেরপুর-১ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাসুদ অরুণ বলেছেন,  নতুন এসপি সাহেব আসছেন, নতুন ডিসি সাহেব জয়েন করেছেন ভালো কথা। টেলিফোনে কাজ করার আগে জনগণের ভাষা বুঝবেন। জনগণের ভাষা বুঝে যদি কাজ না করেন, পার্কে মিটিং হবে না, মিটিং হবে ডিসি অফিসে, এসপি অফিসের সামনে সমাবেশ হবে। জনগণের স্বার্থের বাইরে কাউকে এক পা ফেলতে দেওয়া যাবে না। 

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেহেরপুর শহরের শহীদ ড. সামসুজ্জোহা পার্কে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির একাংশের আয়োজনে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।  

তিনি আরও বলেন, খাতা কলমে যে কমিটি আপনারা করেছেন তা রেখে দেন, কেউ নেবে না। আমি বলি তা রেখে দেন। বাজারে বিক্রি হবে না। যত তত ঘামের গন্ধ, যতো ঘামের গন্ধ ততো ধানের গন্ধ। কামরুল সাহেবরা কমিটি পেলেন। ৫শ লোক জড়ো করতে পারেননি। কমিটি পেয়েছেন লোক নেয় কেন? এটার উত্তর দিতে হবে। মেহেরপুরের দু’টি আসন বিএনপির। আপনাদের পাল্লায় পড়ে এই দু’টি আসন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তারেক রহমানকেও একদিন উত্তর দিতে হবে। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে সেই ক্ষতি পূরণের চেষ্টা করে যাচ্ছি। ধান লাগালাম রক্ত দিয়ে,ধান বুনলাম ঘাম ঝরিয়ে সেই ধান বর্গিরা কাটলে হবে ? মেহেরপুরের ইতিহাসে এটা কখনও হবে না। 

নতুন কমিটির ব্যাপারে তিনি আরো বলেন, কমিটি যখন অন্যরা পেলো তখন মনে করেছিলাম অফিসে তালা লাগিয়ে দেবো। কিন্তু মানুষ আমাকে ছাড়ে না। আমিও পারিনা মানুষকে ছেড়ে যেতে। বিএনপিকে ক্ষমতায় আনার পর ইনশাল্লাহ মানুষের কল্যাণে আমরা বাকি কাজ করবো।

আমরা সেদিন মিছিলে দেখলাম পিরোজপুরের দুইজন নেতা আছে যারা বিএনপির মানুষের ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। কাদের নিয়ে দল করছেন ? এখনই আপনার অফিস পর্যন্ত গেলে বাড়িতে থাকতে পারবেন না। কিন্তু আমরা সেটা চাই না। আমরা চাই প্রকৃত বিএনপিদের নিয়ে দল করেন। দল ছোট হোক কিংবা বড় হোক। আমরা সাথে থাকবো। আগামীদিন এক সাথে লড়াই করতে হবে। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মেহেরপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি জাঙ্গীর বিশ্বাস। 

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আহসান হাবীব সোনা, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, জেলা তাঁতীদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ মাস্টার বাবলু, জেলা যুবদলের সভাপতি জাহিদুল হক জাহিদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আকিব জাভেদ সেনজির প্রমূখ।

এর আগে বিকেল থেকেই বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে ডঃ শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে আসতে থাকে। সমাবেশ শুরু হবার আগেই নেতা-কর্মীদের ভিড়ে কাঁনায় কাঁনায় পূর্ণ হয়ে যায়। এ সময় কমিটি বাতিলের শ্লোগন দেন তারা।