অনলাইন গেমসমুখী নতুন প্রজন্মকে আবার খেলার মাঠমুখী করতে সরকার কাজ করছে
টপ নিউজ মেহেরপুর

অনলাইন গেমসমুখী নতুন প্রজন্মকে আবার খেলার মাঠমুখী করতে সরকার কাজ করছে

সবার সংবাদ ডেস্ক:

সাম্প্রতিক বডিবিল্ডার ফাইনালে অসন্তোষ সহ দেশে খেলোয়াড়দের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃস্টিতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন-আমাদের তালিকাভুক্ত ৫৩টি ইভেন্ট ফেডারেশন ও এ্যসোসিয়েশন রয়েছে। এতে হাজার হাজার খেলোয়াড় রয়েছে। সেখানে বডিবিল্ডারের মত একটি ইভেন্টের রেজাল্ট নিয়ে ঘটনাটি বিছিন্ন এবং অনাকাঙ্খিত। শনিবার মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপিতে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নত্তরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল একথা বলেন।  

দেশে ফুটবল, ক্রিকেট সহ সব ধরণের ক্রীড়ার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ নিয়ে তিনি আরও বলেন- দেশে মাঠের সংখ্যা কমে যাওয়ায় খেলাধুলা কমে গেছে। আবার মামলা জটিলতার কারণ অনেক ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন দীর্ঘদিন হয়নি। তাই মেহেরপুর সহ জেলা পর্যায়ের ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে সক্রিয় করতে যে সমস্ত ক্রীড়া সংস্থায় নির্বাচন ঝুলে আছে, সেগুলোর নির্বাচন দ্রুত সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া অনলাইন গেমসমুখী নতুন প্রজন্মকে আবার খেলার মাঠমুখী করতে সরকার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ১৮৬টি স্টেডিয়াম নির্মান করছে। আরও ১৫১টি উপজেলায় স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হবে। 

২০ কোটি ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মেহেরপুরে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনকালে মেহেরপুর-১ আসনের এমপি, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান, পুলিশ সুপার রাফিউল আলম, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বোরহান উদ্দিন চুন্নু সহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে একটি জনসভায় অংশ নিয়ে বক্তব্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন- আপনাদের মন্ত্রী সরকার প্রধানের অতি আস্থার ও স্নেহের মন্ত্রী। তারপরও তিনি আপনাদের সমস্যা সমাধানে আমাদের প্রায় সময়ই ফোন দেন। এটা লাগবে ওটা লাগবে, এটা নাই ওটা নাই, আমার এগুলো দরকার দিতে হবে বলতেই থাকেন। তাঁর ইচ্ছার কারণে মেহেরপুরের সকল উপজেলায় স্টেডিয়াম হচ্ছে। স্বাধীনতা পরবর্তী বঙ্গবন্ধু এবং তাঁরই সন্তান শেখ কামালের পৃষ্টপোষকতায় এদেশের ক্রীড়াঙ্গনের যাত্রা শুরু হয়। দেশের একমাত্র ঐতিহাসিক মুজিবনগর মেহেরপুর জেলা। যে জেলার প্রতিটি উপজেলাতে এই মিনি স্টেডিয়াম হচ্ছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি বলেছেন-আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বিধায় প্রতিনিয়ত আমরা আশা দেখছি, আশায় বুক বাধছি। আমাদের মেহেপুরে কি ছিলো আর কি আমরা পেয়েছি। আজ আমরা যেদিকে তাকাই যেন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ইঙ্গিত দেয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যোগ্যতা দক্ষতার ইঙ্গিত দেয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের ইঙ্গিত দেয় এই উন্নয়নগুলো। মেহেরপুরের মানুষ এত আশা করেনি এত চিন্তা করেনি। আমরা আশেপাশের উন্নয়নগুলো দেখলেই বুঝি কয়েকটি বছরের মধ্যে বাংলাদেশের এই উন্নয়ন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মেহেরপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন এই জনপদের মানুষ যাতে করে উচ্চ শিক্ষিত হতে পরে সেজন্য মুজিবনগর বিশ^বিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছেন। আমাদের আর কোন অপ্রাপ্তি নাই।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্থানের থেকে আমাদের মাথপিছু আয় দ্বীগুন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশে এগিয়ে যাচ্ছে। ঠিক সে সময়ে একাত্তরের পরাজিত শক্তি আবারও অপপ্রচার শুরু করেছে। যারা স্বাধীনতা বিরোধীদের মন্ত্রীত্ব দিয়েছেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাবারীদের পুরষ্কৃত করে রাষ্ট্রদূত বানায়, তারায় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর সরকার পতন করতে গিয়ে আজ তাদেরই দৈন্যদশা অবস্থা।