সবার সংবাদ ডেস্ক:
মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া নওদাপাড়ায় নাজমা খাতুন (৩৮) নামের একজন গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে মারা গেছে। শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় এই ঘটনা ঘটে। নাজমা খাতুন মেহেরপুর সদর উপজেলার আলমপুর গ্রামের নাজিমুদ্দিনের মেয়ে এবং সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী। নিহত নাজমা খাতুনের ভাই নাঈমুর রহমানের দাবি এটি আত্মহত্যা নয় নাজমা খাতুন কে হত্যা করা হয়েছে।
হত্যার অভিযোগ তোলেন নাজমা খাতুন এর স্বামী হাফিজুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে। হাফিজুল ইসলাম মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের মৃত ছাদের হাজরার ছেলে। নাঈমুর রহমান বলেন আমার বোনকে মাঝে মাঝেই তার স্বামী হাফিজুল ইসলাম মারধর করতেন। কিছুদিন আগে সে মার খেয়ে আমাদের বাসায় চলে এসেছিল। পরে আবারো সে স্বামীর বাড়ি ফিরে যায় এবং আজ ভোরের দিকে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
নাঈমুর রহমান আরো বলেন যদি আত্মহত্যায় হয় তবে তারা যেই ঘরে বসবাস করতেন সেই ঘরে দেওয়াল, মেজে এবং ছাদে ওঠার সিঁড়িতে কেন রক্তপাওয়া গেল? কেন রক্তের ছাপ রয়েছে? তাই এটিকে হত্যা বলে দাবি করছেন তিনি। সরজমিন পরিদর্শন করে এই ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ঘরের দেয়াল, মেজে ও সিঁড়িতে রয়েছে রক্তের ছাপ। এই ঘটনার পর থেকেই নাজমা খাতুনের স্বামী হাফিজুল ইসলাম পলাতক রয়েছে, তার সাথে কোনোভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হবে, ময়নাতদন্তে রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।







