সবার সংবাদ ডেস্ক:
কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য পদে গত ২৬ ফেব্রæয়ারী ভোট গহনের শেষ তারিখ থাকলেও এখন পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়নি। স্কুলের বাগানের ফল বিক্রয়ের টাকার হিসাব গড়মিল চাপা দিতেই ভোট গ্রহণে গড়মিশ বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। প্রধান শিক্ষকের দাবি বাগান বিক্রির টাকা সভাপতির কাছে আছে। অপরদিকে সভাপতির দাবি সমস্ত টাকা প্রধান শিক্ষকের কাছে আছে। কেউই বাগান বিক্রির টাকার হিসাব দিতে পাচ্ছে না।
অভিভাবকরা জানান, কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য পদের জন্য গত ৫ ফেব্রæয়ারী মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু করে। ৫টি পদের বিপরীতে ১৪ জন অভিভাবক মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে। তফসিল অনুযায়ি ২৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তারিখ ছিলো। স্কুলের নিজস্ব জমিতে একটি আম কাঠালের বাগান আছে। এ বাগানের ফল নিয়ে মধুমাস জুড়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফল উৎসব করা হতো। কিন্তু প্রায় লক্ষাধিক টাকায় গত দুই বছরের ফল বিক্রয় করা হয়েছে। ফল বিক্রর টাকার কোন হিসাব স্কুল কর্তৃপক্ষ দিতে পারছে না। এ কারনে নির্বচন না দিয়ে প্রধান শিক্ষক নানা তালবাহানা করছে।
প্রধান শিক্ষক মখলেছুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎসাহি সদস্য নিয়ে সংসদ সদস্যের চাপের কারনে তিনি কমিটি করতে পারছেন না। বাগানের ফল বিক্রয়ের কথা স্বীকার করে বলেন, টাকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রাজন হোসেনের কাছে আছে । বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রাজন হোসেন বলেন, বাগানের ফল বিক্রর টাকার হিসাব প্রধান শিক্ষক জানে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আসাফুদ্দৌলা বলেন বিদ্যুৎসাহি সদস্যর নাম স্থানীয় এমপি দেওয়ার নিয়ম আছে। আমরা এখনো বিদ্যুৎসাহি সদস্যদের নাম পায়নি তায় কমিটি করতে পারিনি। তবে সাধারন অভিাভাবক সদস্য নির্বাচনের বিষয়ে তিনি এড়িয়ে যান। তিনি আরও বলেন স্কুলের উন্নয়ন কাজ করার কথা বলে বাগানের ফল বিক্রি করেছে। কিন্তু টাকা কি হয়েছে আমার জানা নাই।







