সবার সংবাদ ডেস্ক:
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পাকিস্তানি শাসকের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, যাঁদের আত্মত্যাগে বাঙালি পেয়েছিল ভাষার অধিকার। ফুল আর বিনম্র শ্রদ্ধায় তাদের স্মরণ করেছেন মেহেরপুর বিচার বিভাগের বিভিন্ন আদালতের বিচারক ও অধিনস্ত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
এই উপলক্ষ্যে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটায় বিচার বিভাগের সদস্যরা মেহেরপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে একটি র্যালি নিয়ে শহিদ শামসুজ্জোহা পার্কে অবস্থিত কেন্দ্রিয় শহিদ মিনারে পৌছে সেখানে বিচার বিভাগ মেহেরপুর পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে শহিদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত জেলা জজ রিপতি কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ হেলাল উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী জজ বিল্লাল হোসেন, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তারিক হাসান ও তরিকুল ইসলাম বিচারকবৃন্দ স্ব-স্ব আদালতের পক্ষে উপস্থিত থেকে পুস্পস্তবক অর্পনে অংশ নেন।
এ সময়ে বিচারকগনের সাথে উপস্থিত ছিলেন জেলা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মতিউল আশরাফ, নাজির মোঃ ওসমান গনি, সিজেএম কোর্টের নাজির মোঃ আসাদুজ্জামান সহ মাসুদ রানা মানিক, পলাশ, আমিনুল ইসলাম মিন্টু, আসাদুজ্জামান জুয়েল সহ সকল কর্মচারীগন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মেহেরপুর বিচার বিভাগের পক্ষে জেলা জজ কোর্ট ও সিজেএম কোর্টের নাজিরদ্বয় সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রæয়ারিতে বাংলা ভাষার দাবীতে রাস্তায় নেমে আসে মানুষ। জারি করা হয় ১৪৪ ধারা, ভেঙে ফেলা হয় শোষকের শৃঙ্খল। রক্তে ভেসে যায় রাজপথ। গুলিতে বিদীর্ণ হয় বুক।
শহীদ হন রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বার সহ নাম না জানা আরো অনেকে। ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে ইতিহাস গড়েন তারা। বাংলা পায় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একাত্তরে জন্ম নেয় স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। মাতৃভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গের এই দিনটিকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালে। তাই আমাদের ভাষা দিবস অমর একুশে এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বে পালিত হয়।







