গাংনীতে প্রচন্ড গরমে হাতপাখার কদর বেড়েছে
অন্যান্য মেহেরপুর

গাংনীতে প্রচন্ড গরমে হাতপাখার কদর বেড়েছে

সবার সংবাদ ডেস্ক:

গেল কয়েকদিন ধরে অসহনীয় গরম আর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বেড়েছে হাতপাখার কদর। বৈদ্যুতিক পাখার যুগে অনেকটা হারিয়েই যেতে বসেছে হাতপাখা। তবে লোডশেডিংয়ের ভয়াবহতা, তীব্র ও চার্জার ফ্যান সংকট থাকায় গরমে মানুষের ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শোভা পাচ্ছে হাতপাখা। গেল কয়েকদিন ধরে টানা গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন। হাঁসফাঁস অবস্থা খেটে খাওয়া মানুষদের। লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষের ভরসা হাতপাখা।

ভ্রাম্যমাণ হাতপাখা বিক্রেতা নফেল উদ্দীন বলেন, গরম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাতপাখার চাহিদা শুরু হয়। তবে গরম বেশি ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে গেল কয়েকদিন ধরে শহর কিংবা গ্রামে বেশ হাতপাখার কদর বেড়েছে। আকার ও মানভেদে বাঁশের তৈরি এসব পাখা ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা প্রতি পিচ বিক্রি হচ্ছে। বাইরে থেকে এসব বাঁশের তৈরি পাখা কিনে এনেছেন ব্যবসায়ি গালোম মাস্তেফা ।

তিনি ঘুরে ঘুরে গাংনী উপজেলা শহরের অলিগলিতে বিক্রি করছেন এসব পাখা। প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০টি পাখা বিক্রি হচ্ছে। এদিকে চাহিদার পাশাপাশি বিভিন্ন প্লাস্টিকের তৈরি হাত পাখার দাম প্রকার ভেদে ১০০ টাকা। আগে যেখানে বাঁশের হাতল দিয়ে তৈরি প্রতি পিচ হাতপাখার দাম পড়তো ৯ থেকে ১০ টাকা। এখন সেই হাতপাখা পাইকারি প্রতি পিচ ১৫ থেকে ১৬ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

এসব ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা আক্ষেপ করে বলেন, প্লাস্টিকের বানানো পাখা ও বিভিন্ন বাহারি ডিজাইনের রেডিমেট পাখা তাদের ব্যবসায় ধস নামিয়েছে। এ বছর গরমের শুরুতেও হাতপাখার চাহিদা এত ছিল না। হঠাৎ করে গরম বেশি পড়ায় এবং লোডশেডিংয়ের কারণে একটু বেচা-বিক্রি হচ্ছে।

গাংনী বাজারে হাতপাখা ক্রয় করতে আসা রুমা খাতুন বলেন, গেল কয়েকদিন ধরে তীব্র গরম আর লোডশেডিং হচ্ছে। বাজারে চার্জার ফ্যানও পাওয়া যাচ্ছে না। তবে কয়েকটি দাকোনে পাওয়া গেলেও দাম বেশি। যে কারণে এখন গরম থেকে বাঁচতে বিকল্প ব্যবস্থা হচ্ছে হাতপাখা। তবে একটু বেশি সময়ে হাতপাখা নাড়াতে গেলে হাত ব্যথা হয়ে যায়। তারপরও কিছু করার নেই। তাই হাত পাখার বিকল্প কিছু নেই।