সবার সংবাদ ডেস্ক:
মেহেরপুরের গাংনীর শালদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলামকে গণধোলাই দেয়া হয়েছে। অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়ায় ওই ছাত্রীর অভিভাবকসহ অনেকেই সোমবার (২২ জানুয়ারি) সকালে স্ব-স্ত্রীক বিদ্যালয়ে যাবার পথে তাকে গণধোলাই দেয়।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মাঝে মধ্যে কুপ্রস্তাব দিতেন প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলাম। কিন্তু ওই ছাত্রী বিষয়টি এড়িয়ে চলতেন। গত রোববার বিদ্যালয়ে তাকে কবার কুপ্রস্তাব দেয়ার পর ওই ছাত্রী বিষয়টি তার অভিভাবকদেরকে জানায়।
সোমবার সকালে অভিভাবকসহ স্থানীয়রা প্রধান শিক্ষকের গতিরোধ করে গণধোলাই দেয়। এসময় গ্রামের কয়েকজন লোক শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে বিদ্যালয়ে পাঠান। ওই ছাত্রীর ভাই জানান, মাঝে মধ্যে নানা ধরনের কুপ্রস্তাব দিলেও তার বোন কোন ঘটনা বলতো না। রোববার রাতে তার বোন কান্নাকাটি করছিল ও বিদ্যালয়ে যাবে না বলে জানালে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়। এক পর্যায়ে মুল ঘটনা বেরিয়ে পড়ে। বিষয়টি জানার জন্য প্রধান শিক্ষককে দাঁড় করানো হলে তিনি রাগান্বিত হন। তখন তাকে গণধোলাই দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলাম জানান, কুপ্রস্তাবের কোন ঘটনা ঘটেনি। ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের লোকজন মিথ্যা রটিয়ে তার মানসম্মান ক্ষুন্ন করছে এবং ধোলাই দেয়। এব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি রাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম সাকলায়েন ছেপু জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন এবং ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে যে দোষি হবেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।







