ভোটের দিনের প্রহর গুনছে মেহেরপুরের ভোটাররা
টপ নিউজ মেহেরপুর

ভোটের দিনের প্রহর গুনছে মেহেরপুরের ভোটাররা

সবার সংবাদ ডেস্ক:

প্রচার প্রচারণা শেষ। মিছিল পাল্টা মিছিল শেষ। অফিস ভাংচুরের ছোটখাটো ঘটনা সেটাও শেষ। মামলা পাল্টা মামলা হলেও কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় সেই উত্তেজনাও বেশি দূর এগুয়নি। সারাদিন মাইকের উচ্চ শব্দে শব্দ দূষন মাত্র এখন শূন্যের কোঠায়। সবমিলিয়ে মেহেরপুরের ভোটাররা এখন ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবার অপেক্ষায় উন্মুখ হয়ে আছে।

মেহেরপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৭ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৫৬ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৫০ হাজার ৪৮১ জন। মোট কেন্দ্র ১১৭টি। এর মধ্যে মেহেরপুর সদরে ৮৭টি এবং মুজিবনগর উপজেলায় ৩০টি।

মেহেরপুর-২ গাংনী আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫৫ হাজার ৯২৯ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৯৫ এবং নারী ভোটার ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৩৪ জন। এই আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ৯০টি। মেহেরপুরের এই দুটি আসনে এবারের সংসদ নির্বাচনে মূলত নৌকার মাথা ব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে একই দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

ফলে নির্বাচন ঘিরে মেহেরপুর-১ এবং মেহেরপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের বিভক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে সাপে নেওলে সম্পর্কে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনে জয় পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ফলাফল শেষ হলেও দলের এই দ্বন্দ আদেও কবে শেষ হবে তা নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহ প্রকাশ করেছে দলের নীতি নির্ধারক মহল।

যেহেতু প্রতিদ্বন্দী দুই প্রার্থী আওয়ামী লীগের বর্তমান এবং সাবেক সংসদ। সে কারণে প্রচারণার শুরু থেকে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলা, বাকযুদ্ধ, অফিসে হামলা সবই ছিলো একই পরিবারের দুই ভাইয়ের দ্বন্দের মত। আওয়ামী লীগ ঘরনার বাইরে অন্য দলের কর্মী সমর্থকদের কাছে এই কর্মকান্ড ছিলো অনেকটা বিনোদনের মত। 

মেহেরপুর-১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এবং ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রফেসর আবদুল মান্নান প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। মেহেরপুর-২ আসনে নৌকা প্রতীকে ডাঃ এ এস এম নাজমুল হক সাগর এবং ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন।

তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হবেন বলে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের ও ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা উভয়েই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। একসাথে তারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসার জন্য উৎসাহ প্রদান করে যাচ্ছেন।