বাংলাদেশের দেয়া ৩১৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই দলীয় ওপেনার জানেমান মালানকে সাজঘরে ফেরান টাইগার পেসার শরিফুল ইসলাম। এবার এক ওভারেই জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে প্রোটিয়াদের চাপে ফেলল তাসকিন আহমেদ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩৬ রান।
এখন ১১ রানে টেম্বা বাভুমা এবং ৪ রানে ভ্যান ডার ডুসেন অপরাজিত রয়েছেন।
সেঞ্চুরিয়ানে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। ফলে ব্যাট করতে নামে সফররত বাংলাদেশ দল। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সূচনা পায় সফরকারীরা। ওপেনিং জুটিতেই তামিম এবং লিটন মিলে তুলেন ৯৫ রান। অতপর ব্যক্তিগত ৪১ রানে আউট হন দলীয় ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল।
তামিম আউট হওয়ার পরের ওভারেই ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন লিটন কুমার দাস। তবে সেই ওভারেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি। আউট হওয়ার আগে করেন ৫০ রান। আর মুশফিক ফেরেন মাত্র ৯ রানে।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে আপনতালে খেলে যান সাকিব আল হাসান এবং ইয়াসির আলি রাব্বি। দুজন মিলে গড়েন ১১৫ রানের জুটি। দুজনই ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন। সাকিব এগোচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকেই। কিন্তু লুইগি এনগিদির বলে আউট হওয়ার আগে করেন ৭৭ রান। এদিকে ব্যক্তিগত অভিষেক ফিফটির দেখা পেয়েছেন ইয়াসির রাব্বি। আউট হয়েছেন ৫০ রানেই।
শেষদিকে মাহমুদউল্লাহ, আফিফ এবং মেহেদিরা মিলে দলীয় স্কোরটা তিনশর ঘর ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। ১৭ বলে ২৫ রানে মাহমুদউল্লাহ এবং ১৩ বলে ১৭ রানে আউট হন আফিফ হোসেন। আর ১৩ বলে ১৯ রানে মেহেদি ও ৫ বলে ৭ রানে তাসকিন অপরাজিত থাকেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন মার্কো জানসেন এবং কেশব মাহারাজ







