গাংনীতে মুকুলের মৌ গন্ধে মুখরির আম চাষিদের স্বপ্ন
কৃষি মেহেরপুর

গাংনীতে মুকুলের মৌ গন্ধে মুখরির আম চাষিদের স্বপ্ন

সবার সংবাদ ডেস্ক:

শীতকে বিদায় দেওয়ার আগেই প্রচুর পরিমাণ আমের মুকল দেখা দিয়েছে মেহেরপুরের গাংনীর আম বাগানগুলোতে। ঘন কুয়াশা মাঝে মধ্যে দেখা দিলেও তেমন ক্ষতির আশঙ্কা করছে না আম বাগান মালিকরা। আমের কচি পাতার আড়ালে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল। মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে চারিদিক মুখরিত। এ থেকে মুধ সংগ্রহে অভিযানে মাতোয়ারা মৌমাছিরা।

গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এ উপজেলাতে ৯৮০ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। এ সব বাগানে রয়েছে ১৫ থেকে ১৭ প্রজাতির আম গাছ। বোম্বাই, ল্যাংড়া, ফজলী, দুধ সাগর, কাটিমন, আম্রপালী, বারী আম-৪, কিং অফ চাপাকাত থাইল্যান্ড, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা,আটি ইত্যাদি। ইতোমধ্যে বাগান মালিকরা বাগান পরিচর্যা করছেন ও কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ি সার কীটনাশক ব্যবহার করছেন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ও এই মুকুল ঝরে না গেলে আমের বাম্পার ফলন পাওয়া যাবে বলে আম বাগান মালিকরা আশা করছেন।

জুগিন্দা গ্রামের বাগান মালিক রমিজ জানান, তিনি ৫ বিঘা জমির আম বাগান তিন বছরের জন্য লীজ নিয়েছেন। গেল বছর মুকুল আসলেও প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে তা ঝরে যায়। ফলে অনেক লোকসান গুণতে হয়েছে। এবার আমের মুকুল এসেছে।

আগে ভাগেই কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ নিয়ে বাগান পরিচর্যা করা হচ্ছে। অনুকুল আবহাওয়া থাকলে আশানুরুপ ফল পাবেন বলে তিনি আশাবাদী। একই কথা জানান গাংনীর শরিফুল ও বেতবাড়ীয়া গ্রামের আনারুল ইসলাম। চাষিরা আরো জানান, বিদেশী জাতের আমের চেয়ে আম্রপালী আম বাগানে বেশি লাভ।

গাংনী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, গত বছর আমের বাম্পার ফলন হয়েছিল। তার পরও আবহাওয়া অনুকুল না থাকায় অনেক বাগান মালিককে লোকসান গুণতে হয়েছে। তবে এবারও অনেক মুকুল এসেছে। আবহাওয়া প্রতিকুল না হলে এবং ঠিকমত বাগান পরিচর্যা করলে বাগান মালিকরা বেশ লাভবান হবে।