সবার সংবাদ ডেস্ক :
বঙ্গমাতা উনার মহিয়সী মাতা সালেহা খাতুনকে সালু বু বলে ডাকতেন
দেশবরেণ্য বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ডাঃ এসএ মালেক বঙ্গবন্ধু পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়, ১৯৫৩ সাল থেকে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, ১৯৫৭ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র হিসেবে এফ এইচ হলে থাকাবস্থায় ওখান থেকে মাত্র ৫০০ গজ দূরে ১৪নং হাজী আব্দুল গনি রোডের বঙ্গবন্ধুর বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন। তিনি পরবর্তীতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ির পারিবারিক ডাক্তার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব উনার মহিয়সী মাতা মরহুমা সৈয়দা সালেহা খাতুনকে বড় বোন হিসেবে সালু বু বলে ডাকতেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে দীর্ঘ স্মৃতি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নিষ্ঠুর নির্মমভাবে হত্যা করে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ‘বাঙালির সমৃদ্ধ ও গৌরবগাঁথা ইতিহাসকে বিকৃতির অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে যারা সৎ সাহস নিয়ে কলম ধরে প্রকৃত ইতিহাস ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যকে সামনে নিয়ে এসেছেন তাঁদের অন্যতম ডাঃ এস এ মালেক।
‘৭৫ পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের দাবীতে এবং বাংলাদেশের রাজনীতির অন্ধকারময় অধ্যায়ে যারা সৎ সাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শন চর্চা করেছেন, জাতির পিতাকে ধারণ করেছেন এবং জাতির পিতার পক্ষে লেখালেখি সহ বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শন নিয়ে বক্তব্য বিবৃতি দিয়ে জনগনকে অনুপ্রানিত করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম ডাঃ এস এ মালেক। ১৯৮১ সালে জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে দেশে ফেরার পর যারা তাঁকে সহযোগিতা করেছিলেন তাঁদের অন্যতম ডাঃ এস এ মালেক। ডাঃ এস এ মালেক মেঠো রাজনীতির একজন কর্মী নন, বরং আওয়ামী লীগের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার ক্ষেত্রে যারা আওয়ামীলীগকে সংগঠিত করেছেন। ইতিহাস অন্বেষণ এবং গবেষণাধর্মী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতির পিতাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার যে প্রয়াস নিয়েছিলেন তাঁদের অন্যতম ছিলেন ডাঃ এস এ মালেক।
১৯৯৬ সালে দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে এবং ক্ষমতায় আসার পর ডাঃ এস এ মালেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অবিস্মরনীয় দায়িত্ব পালন করেন। একটি নৈতিক মানবিক সমাজ-রাষ্ট্র গঠনে তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শন ভিত্তিক একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু পরিষদের মাধ্যমে জাতির পিতাকে স্মরণ করা এবং নতুন প্রজন্ম যেন বিকৃত ইতিহাসে বিভ্রান্ত না হয় সে ব্যাপারে কলমযুদ্ধ করেও তিনি আলোচিত ছিলেন। আজকের মতো আওয়ামী লীগের পক্ষে লেখালেখি করার লোক খুঁজে পাওয়া ছিল দুষ্কর। সেই প্রতিকূল সময়ে ডাঃ এস এ মালেক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নিয়মিত গণমাধ্যমে কলাম লিখতেন এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষদের সংগঠিত করার চেষ্টা করেছিলেন।







