আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারতের উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথের কাছে তীর্থযাত্রীদের বহনকারী একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়েছে। মঙ্গলবারের এই ঘটনায় দুই পাইলটসহ সাত জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চার জনই নারী। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
উত্তরাখণ্ড রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) কমান্ড্যান্ট মণিকান্ত মিশ্র এবং মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বিশেষ প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি অভিনব কুমার এই দুর্ঘটনা এবং এতে প্রাণহানির কথা নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, কেদরনাথ থেকে উড্ডয়নের পরই হেলিকপ্টারটিতে আগুন লেগে যায়। এরপরই গরুড় চটির কাছে হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়ে। কেদারনাথ ধামের থেকে গরুড় চটির দূরত্ব মাত্র দুই কিলোমিটার।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা। এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
টুইটারে দেওয়া পোস্টে কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহনমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেছেন, ‘কেদারনাথে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করতে আমরা রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। ক্রমাগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
এদিকে এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরাণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। টুইটারে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ‘কেদারনাথের কাছে গরুড় চটিতে দুর্ভাগ্যজনক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় কিছু লোকের হতাহতের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে নেমেছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। জেলা প্রশাসনের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উত্তরাখণ্ড বেসামরিক বিমান চলাচল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সি রবি শঙ্কর বলেন, ‘আবহাওয়া খারাপ ছিল। তদন্তে জানা যাবে ঠিক কী ঘটেছে সেখানে। তবে দৃশ্যমান খারাপ হলে বিমান চালানোর সময় পাইলটদের নিরাপত্তার বিষয়ে খতিয়ে দেখতে হয়। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনার ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কেদারনাথ ধামে চপার অপারেশন বন্ধ রাখা হয়েছে।






