তাইওয়ানে যেকোনও সময় ঢুকতে পারে চীনা বাহিনী
আন্তর্জাতিক

তাইওয়ানে যেকোনও সময় ঢুকতে পারে চীনা বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

তাইওয়ানে যেকোনও সময় চীনা বাহিনী ঢুকে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ কুও-চেং। তিনি বলেছেন, প্রণালিজুড়ে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভূখণ্ডের কাছাকাছি এলাকায় চীনা সামরিক বাহিনী ‘হঠাৎ প্রবেশ’ করতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাইওয়ানের আশপাশে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে চীন। দ্বীপের বিমান প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে প্রায় প্রতিদিনই চীনা বিমান বাহিনীর অনুপ্রবেশ রয়েছে।

যদিও উপকূল থেকে ৪৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার অঞ্চলে চীনা বাহিনীর প্রবেশের কোনও ঘটনা জানায়নি তাইওয়ান। তবে গত বছর চীন একটি বেসামরিক ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে। চীনা উপকূলের একটি দ্বীপের কাছে ড্রোনটি প্রবেশ করেছিল।

আসলে স্বশাসিত দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক আদান-প্রদান বাড়ানোর ক্ষেপে আছে বেইজিং। পার্লামেন্টে আইনপ্রণেতাদের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ কুও-চেং সোমবার বলেন, ‘চাইনিজ পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) তাইওয়ানের আঞ্চলিক আকাশ ও সমুদ্রের কাছাকাছি এলাকায় প্রবেশের অজুহাত খুঁজছে।’

তিনি বলেন, ‘তাইওয়ান সংলগ্ন অঞ্চলে হঠাৎ প্রবেশ করতে পারে পিএলএ। এটা চলতি বছরেই ঘটতে পারে। আসলে তারা এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রয়োজনে তারা শক্তি প্রয়োগ করবে। প্রতিক্রিয়ায় চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, ‘বেইজিং তার সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার জন্য অবশ্যই দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে।’

অন্যদিকে তাইওয়ান বলছে, চীনা সশস্ত্র বাহিনী তার ভূখণ্ডে প্রবেশ করলে আত্মরক্ষা এবং পাল্টা আক্রমণের অধিকার প্রয়োগ করবে তারা। গত বছর তৎকালীন মার্কিন হাউজ স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের প্রতিক্রিয়ায় চীন অঞ্চলটির চারপাশে নজিরবিহীন সামরিক মহড়া চালিয়েছিল।