আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চূড়ান্ত পর্যায়ে সরাসরি গোলাবর্ষণসহ নানা কৌশলগত কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে শেষ হলো চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনী ছয় দিনব্যাপী সামরিক মহড়া ‘জয়েন্ট সি-২০২৬’। গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই মহড়ার শেষ দিন ছিল শনিবার। এই গেল তিন দিনে উভয় দেশের নৌবহর যৌথ গোয়েন্দা নজরদারি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং সমন্বিত সাবমেরিন অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের মতো জটিল সব কার্যক্রম সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করে। মহড়ায় উভয় নৌবাহিনীর আটটি সারফেস জাহাজ এবং দুটি সাবমেরিন অংশগ্রহণ করে।
এবার মহড়া পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো পূর্বনির্ধারিত চিত্রনাট্য বা স্ক্রিপ্ট অনুসরণ করা হয়নি। এর পরিবর্তে বাস্তব যুদ্ধের পরিস্থিতি, আবহাওয়া এবং পরিবর্তিত কৌশলগত অবস্থার ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযানের সমন্বয় করা হয়েছে। সমুদ্র, আকাশ এবং সাবমেরিন-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলোকে কাজে লাগিয়ে একটি সমন্বিত ও বহু-মাত্রিক কমব্যাট সিস্টেম গড়ে তোলা হয়।
চীনা কমান্ডার লিউ শিশুই বলেন, “২০১২ সাল থেকে এই মহড়াগুলো আমাদের দুই নৌবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও পেশাদারিত্বকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। যৌথ সামুদ্রিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় আমাদের সক্ষমতা এখন অনেক বেশি শক্তিশালী।”
মহড়া শেষে উভয় দেশের নৌবহরের নির্বাচিত কিছু ইউনিট প্রশান্ত মহাসাগরে যৌথ সমুদ্র টহলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে।






