নিজস্ব প্রতিবেদক: ফতুল্লার
পাগলার একটি মাদ্রাসার শ্রেনী কক্ষের ভিতর থেকে ১৩ বছর বয়সী সপ্তম
শ্রেনীতে পড়ুয়া হাফিজুর নাহার হাবিবা(১৩) নামক এক ছাত্রীর মৃত দেহ উদ্ধার
করেছে পুলিশ।
নিহত হাফিজা
নাহার হাবিবা ফতুল্লা থানার পূর্ব দেলপাড়ার ইলিয়াসের ভাড়াটিয়া মোঃ হাফিজুর
রহমান আকাশের মেয়ে ও পাগলা নুরবাগ খাতুনে জান্নাত মহিলা
(আবাসিক-অনাবাসিক) মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) রাতে ফতুল্লার পাগল নুরবাগ খাতুনে জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার তৃতীয় তলার শ্রেনী কক্ষ থেকে মৃত দেহ উদ্ধার করে।
নিহতের
বাবা জানায়, তার মেয়ে ঐ মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেনীর আবাসীক
ছাত্রী।বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে প্রথমে সে তার মাকে ফোন করে কথা
বলে।দ্বিতীয় দফা'য় ইফতারের সময় আবারো সে তার মাকে ফোন করে। এ সময় নিহতের মা
মেয়েটিকে পড়ালেখায় মনোযোগি হওয়ার জন্য বলে এবং কড়া ভাষায় শাসন করে। পরে
রাত পৌনে আটটার দিকে মাদ্রাসার কতৃপক্ষের নিকট থেকে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে
গিয়ে তার মেয়ের মৃত দেহ দেখতে পায়। তার ধারনা মায়ের সাথে অভিমান করেই
আত্নহত্যা করেছে তার মেয়ে।
মাদ্রাসাটির
পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ উল্লাহ মিজি ওরফে মোঃ আলী
জানায়,মায়ের সাথে মোবাইল ফোনে কথাকাটাকাটির জের ধরে মায়ের সাথে অভিমান
করে ছাত্রীটি আত্নহত্যা করেছে।ইফতার চলাকালীন সময়ে মাদ্রাসাটির সকলেই
দ্বিতীয় তলায় ইফতার করছিলো।ইফতার শেষে নামাজ পরে তৃতীয় তলায় গিয়ে দেখতে পায়
যে শ্রেনী কক্ষের দরজা ভিতর থেকে লাগানো। পরবরর্তী জানালার ফাক দিয়ে দেখতে
পায় যে, শ্রেনী কক্ষের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেঁচানো নিহতের
ঝুুলন্ত দেহ। পরে পুলিশ সংবাদ দিলে রাত আটটার দিকে নিহতের মৃত দেহ উদ্ধার
করে পুলিশ।
ফতুল্লা মডেল
থানার উপপরিদর্শক মোস্তফা কামাল খান জানায়,মায়ের সাথে অভিমান করে শ্রেনী
কক্ষের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্নহত্যা করেছে ছাত্রীটি।
পুলিশ সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ফতুল্লা
মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে।







